শঙ্কা ১০ - আজ যেনিজেকে নিজে ব্রাহ্মণ বলছে তারা কি আমাদের প্রাচীন বিদ্যা এবং জ্ঞানের রক্ষাকারী ছিলো?

সমাধানঃ আজকাল যে ব্যক্তি ব্রাহ্মণ কুলে ৎপন্ন হয়ে প্রাচীন ব্রাহ্মণের সমান বৈদিক ধর্মের রক্ষার জন্য পুরুষার্থ করছে তারা নিশ্চিৎরূপে ব্রাহ্মণের সম্মানের পাত্র।  কিন্তু যদি কোন ব্যক্তি ব্রাহ্মণ কুলে ৎপন্ন হয়েই ব্রাহ্মণ ধর্মের বিপরীত কর্ম করে। তারা কোনরূপ ব্রাহ্মণ বলার যোগ্য নয়। যেমনঃ  কোন ব্যক্তি যদি শাকাহারী, চরিত্রবান, ধর্মের জন্য পুরুষার্থ করেন তাহার বর্ণ ব্রাহ্মণ বলার যোগ্য  হোক সে শুদ্র সন্তান। অপরদিকে মাংসাহারীঅসৎচরিত্রসমাজের কোন হিত করে না। সে কখনো ব্রাহ্মণ বলার যোগ্য নয় যদিও সে ব্রাহ্মণ সন্তান হোক। কেবল বসন ধারন করলেই সে ব্রাহ্মণ হয়ে যায় না।  সাথে বৈদিক ব্রতধর্মের পালন অনিবার্য।  প্রাচীন কালে ধর্মরূপী আচরন এবং পুরুষার্থের কারণে ব্রাহ্মণ মানা হয়েছিলো।

এই লেখার মাধ্যমে বৈদিক বিচারধারায় ব্রাহ্মণ শব্দের ভ্রান্তির নিরাকরনের প্রয়াস করা হয়েছে। ব্রাহ্মণ শব্দের বেদে অনেক মহত্ত্বতা। ইহার মুখ্য কারণ জন্মগত ব্রাহ্মণ নয় বরং কর্মগত ব্রাহ্মণ।  মধ্যকালে আমাদের বৈদিক বর্ণ ব্যবস্থা পরিবর্তন হয়ে জাতি ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে।  জাতিবাদ দ্বারা হিন্দু সমাজের একতা সমাপ্ত হয়ে গিয়েছে। হিন্দুর ১২০০ বর্ষের দমনের কারণের যদি কোন মুখ্য কারণ থাকে তাহা জাতিবাদ। জাতিবাদই আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু।  আসুন এই জাতিবাদ রূপী শত্রু কে নষ্ট করার সংকল্প গ্রহন করি

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অবতার ও ঈশ্বর (১ হতে ১০ পর্ব)

ব্রহ্ম ও উপাসনা

গায়ত্রী মন্ত্রের তাৎপর্য